গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র আজ বন্দি: খন্দকার মোশাররফ

গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র যে বন্দি তার ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র একটি প্রমাণ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ওপর নির্যাতন, হেনেস্তা ও অপমাণ। সর্বশেষে তাকে গ্রেফতার হতে হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশে বর্তমানে গণমাধ্যম ‘শৃঙ্খলিত, গণতন্ত্র বন্দি’। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র যে বন্দি তার ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র একটি প্রমাণ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ওপর নির্যাতন, হেনেস্তা ও অপমাণ। সর্বশেষে তাকে গ্রেফতার হতে হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘অবরুদ্ধ গণতন্ত্র, শৃঙ্খলিত গণমাধ্যম, মুক্তির পথ কী?’ শীর্ষক বিএনপির উদ্যোগে এ ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকে গণমাধ্যম শৃঙ্খলিত, গণতন্ত্র বন্দি। এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের সব অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করে দেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণ করতে হলে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে, জনগণের শাসন ফিরিয়ে আনতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান লন্ডনে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। মাহমুদুর রহমানকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে। শফিক রেহমানকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে। যে নির্যাতন তাদের ওপর হয়েছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি এটাও বলতে শুনেছি যে মাহমুদুর রহমান কোনো সাংবাদিক নন, সম্পাদক নন। এটাও বলতে শুনেছি, শফিক রহমান তো আসলে কোনো সাংবাদিক নন। এই দ্বিমুখী অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

আলোচনা সভায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ বলেন, ‘আজ রক্তবীজের ছাপ সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে। এই জেবুন্নসাকে যেরকম দেখেছেন, এই জেবুন্নেসা হচ্ছে আমাদের সামনে এই চরিত্র যে আমলাতন্ত্রে জেবুন্নেসায় ভরে গেছে।’

তিনি বলেন, আমরা আজকে ভেবে-চিন্তে ঐক্য গড়ে… আমি মনে করি যে ঈমানী আন্দোলনে মাঠে নামতে হবে আপসহীনভাবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান প্রমুখ। এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সাংবাদিকদের মধ্যে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, বর্তমান সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট এলিনা খানও এই ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নেন।



Source link

admin

Read Previous

যশোরে পুত্রবধু ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে শ্বশুরের আদালতে মামলা

Read Next

চৌগাছায় বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা