পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দৈনিক রুপালি বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক সোহেল আকনের কন্যা চতুর্থ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী ঊর্মিকে ( ৯) ধর্ষণ শেষে নৃশংস ভাবে হত্যা করে। ধর্ষক ও খুনি ছগীরের ফাঁসির দাবিতে এবং দেশের সকল ধর্ষকদের দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সর্বাস্তরের জনসাধারণের আয়োজনে রোববার (১৬ মার্চ) সকাল ১১ টায় মঠবাড়িয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখ সড়কে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় প্রবীণ সাংবাদিক আবদুস সালাম আজাদীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক নাজমুল আহসান কবীর, জামাল আকন, ইসমাইল হোসেন,আসাদুজ্জামান সোহেল আব্দুল্লাহ আল অভি, রাসেল রায়হান ও নিহত উর্মির বাবা সাংবাদিক জুলফিকার আমীন সোহেল।
বক্তারা ধর্ষকের পক্ষে কোন আইনজীবীকে আদালতে না দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান। জানা গেছে ২০১৭ সালের ২১ জুলাই বিকেলে উর্মী নিখোঁজ হয়। ২৩ জুলাই বাড়ি থেকে প্রায় ৬০০ গজ দূরে পরিত্যক্ত একটি বাগানের নালার মধ্যে থেকে নিহত উর্মীর অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত উর্মীর বাবা উপজেলার উত্তর বড় মাছুয়া গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক জুলফিকার আমীন সোহেল ওই ২৩ জুলাই রাতে মঠবাড়িয়া থানায় অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অধিকর তদন্ত শেষে ছগীর আকন কে গ্রেফতার করেন। এবং ছগীরকে একমাত্র আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করে বিরুদ্ধে চার্জসীট প্রদান করেন। ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর মঠবাড়িয়া থানায় দায়ের হওয়া তন্নী আক্তারকে জবাই করে হত্যা মামলায় এই ছগীরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক গরু জবাই করে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে।